জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুর সদর উপজেলার লাহেড়ীকান্দা এলাকায় শাহ সুফী ইউনুস আলী উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃক পৈতৃক জমি দখলের অভিযোগ তুলে স্কুলটি উচ্ছেদ এবং জমির দখল ফিরে পেতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এক পরিবার।
সম্প্রতি ভুক্তভোগী ইয়াছিন আলী এই অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, ইয়াছিন আলীর পিতা আজু মণ্ডল তার পৈতৃক সম্পত্তি থেকে ওই বিদ্যালয়ের নামে ২৫ শতাংশ জমি দান করেছিলেন। কিন্তু বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জোরপূর্বক মোট ৭০ শতাংশ জমি দখল করে নিয়েছেন।
এর মধ্যে ৪৫ শতাংশ জমি ইয়াছিন আলী ও তার ওয়ারিশদের ব্যক্তিগত মালিকানাধীন। এ নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সালিশ বৈঠক হলেও বিদ্যালয়ের কমিটি তা অমান্য করে জোরপূর্বক জমি দখল করে রেখেছে।
জামালপুর-চেচুয়া-মুক্তাগাছা সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের আওতায় ওই জমির একাংশ সরকার অধিগ্রহণ করে। ইয়াছিন আলীর অভিযোগ, জমির মালিকদের না জানিয়ে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি সফিউর রহমান সফি, সাধারণ সম্পাদক মুকুল তালুকদার এবং তৎকালীন প্রধান শিক্ষক সারোয়ার মাস্টার যোগসাজশ করে সরকারি ক্ষতিপূরণের অর্থ আত্মসাত করেছেন।
জমি ফেরত চাওয়ায় প্রভাবশালী মহলের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে ইয়াছিন আলী ও তার পরিবারকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে বিদ্যালয়ের স্থাপনা উচ্ছেদ করে পৈতৃক জমি বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ইয়াছিন আলী।
বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের জানান, বিদ্যালয়ের স্থাপনা অধিগ্রহণের টাকা উত্তোলন করা হয়েছে ২০২৫ সালে। জমির টাকা এখনো তারা উত্তোলন করেননি। স্থানীয় ইয়াছিন গং বিদ্যালয়টি উচ্ছেদ করার পায়তারা করছে। তিনি এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।





