হল ফি বাড়ানোর প্রতিবাদ করায় শিক্ষার্থীদের ‘শেয়াল’ বলে মন্তব্য করলেন অধ্যক্ষ

jamalpurbarta

নিজস্ব প্রতিবেদন :  জামালপুরের সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের আবাসিক হলের ফি বৃদ্ধি নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীদের মধ্যে। এ নিয়ে আয়োজিত বৈঠকে অধ্যক্ষের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এসময় শিক্ষার্থীদের শেয়াল বলে মন্তব্য করায় পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল ৫টায় কলেজের শিক্ষক সংসদ মিলনায়তনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কলেজ প্রশাসনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে অধ্যক্ষ শওকত আলম মীর, শিক্ষক সংসদের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা, হল সুপার মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীরা জানান- হঠাৎ করে বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিলের নামে এক হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে, যা তাদের জন্য বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করবে। এ কারণে তারা ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান।

বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হলেও কোনো সমাধানে পৌঁছানো যায়নি। এক পর্যায়ে অধ্যক্ষ শওকত আলম মীর শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে ‘শেয়াল’ মন্তব্য করেছেন বলে অভিযোগ করেন ক্ষুব্ধ।

এ মন্তব্যে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দিতে শুরু করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অধ্যক্ষ বৈঠকস্থল ত্যাগ করেন।

পরে শিক্ষক সংসদের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা শিক্ষার্থীদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান এবং বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত সময় চান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হিসাববিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী বলেন- “হল ফি এক হাজার টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আমাদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে আমাদের বড় ভাইয়েরা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

আমরা চাই শিক্ষার্থীদের সামর্থ্য ও বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। বৈঠকে সমাধান না এসে উল্টো শিক্ষার্থীদের নিয়ে আপত্তিকর শেয়াল মন্তব্য করায় অনেকেই ক্ষুব্ধ হয়েছেন। আমরা দ্রুত এ সমস্যার গ্রহণযোগ্য সমাধান চাই।”

এ বিষয়ে সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের অধ্যক্ষ শওকত আলী মীর বলেন- শেয়াল বলে সম্বোধন করা হয়নি। এমন কোনো মন্তব্য করা হয়নি। আর ফি বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে আমরা আবারো বসবো। আশা করি, খুব কম সময়ের মধ্যে এই সমস্যার সমাধান হবে।

বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল বাবদ অতিরিক্ত এক হাজার টাকা যোগ করে হল ফি ৬ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা।

SHARES

ফেসবুকে অনুসরণ করুন

আরো পোস্টঃ

bokep indo terbaru bokep indonesia terbaru Bokep jilbab bokep Colmek bokep viral bokep jav jav sub indo Bokep Jepang Tanpa sensor JAV uncensored
DAYWINBET DAYWINBET DAYWINBET DAYWINBET
GOBETASIA GOBETASIA GOBETASIA GOBETASIA GOBETASIA GOBETASIA GOBETASIA