আশুলিয়ায় ইউপি সচিবের সম্পদ নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষ ও লাইসেন্স বাণিজ্যের অভিযোগ

jamalpurbarta

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার সাভার উপজেলার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে নাগরিক সেবা প্রদান, ট্রেড লাইসেন্স, নিয়োগ ও বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়ম এবং আর্থিক সুবিধা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি বেতনে চাকরি করেও চারতলা বাড়ি, দামি ব্যক্তিগত গাড়ি ও বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।

স্থানীয় কয়েকজন সেবাগ্রহীতার অভিযোগ, ইয়ারপুর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নাগরিক সনদ, ওয়ারিশ সনদ, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এবং বিভিন্ন প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে তাঁদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। তাঁদের দাবি, কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। অর্থ দিতে না চাইলে সেবা পেতে বিলম্বের মুখেও পড়তে হয় বলে অভিযোগ তাঁদের।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কিছু ক্ষেত্রে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কাজ করাতে হয়। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট সেবাগ্রহীতাদের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য, ফি পরিশোধের রসিদ, আবেদন নিষ্পত্তির সময়সীমা এবং পরিষদের সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পরীক্ষা করা জরুরি।

ট্রেড লাইসেন্স ও নিয়োগ কার্যক্রম ঘিরে অভিযোগ
শিল্পাঞ্চল হওয়ায় ইয়ারপুর ইউনিয়নে রয়েছে বিপুলসংখ্যক কলকারখানা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক স্থাপনা। এসব প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স প্রদান ও নবায়নকে কেন্দ্র করে অনিয়ম এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, লাইসেন্সসংক্রান্ত কাজে মধ্যস্বত্বভোগীদের তৎপরতা রয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে কাজ সহজ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, অর্থ বণ্টন এবং গ্রাম পুলিশসহ স্থানীয় পর্যায়ে নিয়োগের ক্ষেত্রেও অনিয়ম ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে।

চারতলা বাড়ি ও গাড়ির সম্পদের উৎস নিয়ে প্রশ্ন
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ইউপি সচিব আফজাল হোসেনের একটি চারতলা বাড়ি রয়েছে এবং তিনি দামি ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার করেন। তাঁর চাকরিজীবনের আয় ও দৃশ্যমান সম্পদের মধ্যে কোনো অসংগতি রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ।

সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পরীক্ষা করে সম্পদের সঙ্গে বৈধ আয়ের কোনো অসংগতি পাওয়া গেলে তা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা যেতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

গোপন বৈঠক নিয়ে অভিযোগ, প্রয়োজন তথ্য-প্রমাণ যাচাই ট্রেড লাইসেন্স ও বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম ঘিরে মধ্যস্বত্বভোগীদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক বৈঠক এবং আর্থিক সুবিধা আদায়ের অভিযোগও সামনে এসেছে।

নিরপেক্ষ তদন্ত ও জবাবদিহির দাবি অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়দের কেউ কেউ। তাঁদের মতে, নাগরিক সেবায় অনিয়ম বা সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটে থাকলে তা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। একই সঙ্গে সম্পদের উৎস নিয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

অভিযুক্তের বক্তব্য ও নথি যাচাই করার জন্য প্রতিবেদনের স্বার্থে ইউপি সচিব আফজাল হোসেনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তা মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে মোবাইল নাম্বার টি বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা সমীচীন নয়। তবে নাগরিক সেবা, সরকারি অর্থের ব্যবহার এবং সরকারি কর্মচারীদের সম্পদের স্বচ্ছতা নিয়ে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুলোর নিরপেক্ষ অনুসন্ধান হওয়া জরুরি।।

SHARES

ফেসবুকে অনুসরণ করুন

আরো পোস্টঃ

bokep indo terbaru bokep indonesia terbaru Bokep jilbab bokep Colmek bokep viral bokep jav jav sub indo Bokep Jepang Tanpa sensor JAV uncensored
DAYWINBET DAYWINBET DAYWINBET DAYWINBET
GOBETASIA GOBETASIA GOBETASIA GOBETASIA GOBETASIA GOBETASIA GOBETASIA