নিজস্ব প্রতিবেদক : জামালপুর-৫ আসনের রাজনৈতিক বাস্তবতায় এখন আর কোনো ধোঁয়াশা নেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে যাচ্ছে জনমত, স্পষ্ট হচ্ছে জনগণের চাওয়া। রাজপথ, গ্রামগঞ্জ, বাজার কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে একটাই নাম: এডভোকেট শাহ মোঃ ওয়ারেজ আলী মামুন।
আন্দোলনের মাঠে আপসহীন নেতৃত্ব, আইনের লড়াইয়ে ন্যায়বিচারের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান এবং সংকটে মানুষের পাশে নির্ভীকভাবে দাঁড়ানোর কারণে তিনি আজ জামালপুর-৫ আসনে জনগণের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন।
রাজপথে সক্রিয় ও দৃশ্যমান উপস্থিতি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী কণ্ঠ এবং মানুষের অধিকার আদায়ে অবিচল ভূমিকা—এই তিনটি শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে মামুন দীর্ঘদিন ধরেই গড়ে তুলেছেন এক অনন্য রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা। আইন পেশায় তাঁর সুদীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাঁকে দিয়েছে যুক্তির শক্তি, আর রাজনৈতিক সংগ্রাম তাঁকে করেছে মাঠের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এক সাহসী নেতা।
এলাকার সাধারণ মানুষ বলছেন, মামুন কেবল বক্তৃতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন; তিনি কাজের মাধ্যমে নিজের অবস্থান প্রমাণ করেছেন। দুর্যোগ, মামলা-মোকদ্দমা কিংবা সামাজিক অন্যায় – প্রতিটি সংকটে তাঁকে পাশে পেয়েছেন মানুষ। ফলে তাঁর প্রতি জনআস্থা আজ আর আবেগের নয়, বরং বাস্তব অভিজ্ঞতার ফসল।
একজন সাধারণ ভোটার বলেন,“উনি আমাদের সুখে-দুঃখে সব সময় পাশে ছিলেন। আমরা এমন নেতৃত্বই চাই, যারা শুধু আশ্বাস দেয় না—কাজে দেখায়।”এই বক্তব্যেই স্পষ্ট, মামুন নির্বাচনী রাজনীতির বাইরেও মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছেন।
দলীয় নেতাকর্মীরাও তাঁর নেতৃত্বকে দেখছেন আন্দোলন-সংগ্রামের পরীক্ষিত উদাহরণ হিসেবে। একজন স্থানীয় নেতা বলেন,“শাহ মোঃ ওয়ারেজ আলী মামুন কখনো অন্যায়ের সাথে আপস করেননি। দলের দুঃসময়ে তিনিই ছিলেন রাজপথের সাহসী কণ্ঠ।
”তাঁদের মতে, রাজনৈতিক প্রতিকূলতা যত কঠিনই হোক না কেন, মামুনের অবস্থান ছিল বরাবরই স্পষ্ট, দৃঢ় ও আপসহীন।
বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মাঝে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা নতুন মাত্রা যোগ করেছে জামালপুর-৫ আসনের রাজনীতিতে। এক তরুণ ভোটার বলেন,“আমরা পরিবর্তন চাই, আর সেই পরিবর্তনের নাম শাহ ওয়ারেজ আলী মামুন।
”তরুণ সমাজ মনে করছে, সততা, সাহস ও দায়বদ্ধতার সমন্বয়ই পারে একটি এলাকার রাজনীতিকে নতুন পথে নিয়ে যেতে—আর মামুন সেই যোগ্য নেতৃত্ব।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শক্ত জনভিত্তি, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, মাঠপর্যায়ের রাজনীতি এবং আপসহীন অবস্থানই এডভোকেট শাহ মোঃ ওয়ারেজ আলী মামুনকে জামালপুর-৫ আসনে এগিয়ে রেখেছে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাঁকে ঘিরে জনসমর্থন ক্রমেই সুসংহত হচ্ছে।
নিজের রাজনৈতিক দর্শন স্পষ্ট করে মামুন বলেন,“আমি ক্ষমতার রাজনীতি করি না, করি মানুষের অধিকার রক্ষার রাজনীতি। জামালপুর-৫ আসনের মানুষের ভোটে নির্বাচিত হলে এই এলাকার উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম অঙ্গীকার।”
ক্ষমতার লোভ নয়, বরং মানুষের অধিকার, ন্যায়বিচার ও টেকসই উন্নয়ন—এই তিন লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এগিয়ে যেতে চান তিনি।
সব মিলিয়ে বলা যায়, জামালপুর-৫ আসনে এখন যে রাজনৈতিক বাতাস বইছে, তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন একটাই নাম—এডভোকেট শাহ মোঃ ওয়ারেজ আলী মামুন, যিনি আজ জনগণের আস্থা, প্রত্যাশা ও পরিবর্তনের প্রতীক।।





