দেওয়ানগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন : প্রতিমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ও উন্নয়নের অঙ্গীকার

doinikjamalpurbarta

নিজস্ব প্রতিবেদক : জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ২৬ মার্চ মহান বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে উদযাপিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যার মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সকালে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সর্বস্তরের জনগণ এ সময় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি তাঁর বক্তব্যে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালি জাতি দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতার পথে যাত্রা শুরু করে, যা আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় অধ্যায়।

তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ঘোষণার কথা স্মরণ করে বলেন, তাঁর সেই আহ্বান সমগ্র জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিল। তাঁর দেশপ্রেম, দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং সাহসিকতা জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, স্বাধীনতার মহান চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি একটি শক্তিশালী, স্বনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকারের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং এ অগ্রযাত্রায় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলে। প্রতিমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

একইসঙ্গে জীবিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে স্বাধীনতার গান, আবৃত্তি এবং দেশাত্মবোধক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

পরিশেষে প্রতিমন্ত্রী আহ্বান জানান, মহান স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার হোক—দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা সবাই মিলে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।।

SHARES

ফেসবুকে অনুসরণ করুন

আরো পোস্টঃ