হরিণ শিকার মামলায় সালমান খানের পাঁচ বছরের জেল

এনডিটিভি: বন্য প্রাণী সংরক্ষণ আইনের ৫১ ধারায় বলিউড অভিনেতা  সালমান খানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভারতের রাজস্থানের যোধপুরের একটি আদালত। তাকে পাঠানো হতে পারে রাজস্থান সেন্ট্রাল জেলে । ২০ বছর আগের কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলার রায় হলো আজ বৃহস্পতিবার। এই মামলায় অন্য তিন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত , তারা হলেন সাইফ আলী খান, টাবু ও সোনালী বেন্দ্রে । তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে আবার আপিল করতে পারবেন তিনি ।

এদিকে সালমান খানের আইনজীবী এইচ এম সারস্বত রায় হওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, সরকারি কৌঁসুলি মামলা সাজাতে ভুয়া সাক্ষী দাঁড় করিয়েছেন। এমনকি বন্দুকের গুলিতেই যে কৃষ্ণসার দুটির মৃত্যু হয়েছিল, তা-ও  প্রমাণ করতে পারেননি সরকারি কৌঁসুলি। গত ২৮ মার্চ নিম্ন আদালতে শেষ হয় কৃষ্ণসার মামলার চূড়ান্ত পর্যায়ের শুনানি ।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিদের দাবি, ১৯৯৮ সালের ১ ও ২ অক্টোবর যোধপুরে সাইফ আলী খান, নীলম, টাবু ও সোনালী বেন্দ্রের সাথে ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’ ছবির শুটিংয়ের মাঝে আলাদা আলাদা জায়গায় দুটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা করেন সালমান খান।

রাজস্থানের যোধপুরের কঙ্কানি এলাকায় গ্রামের ক্ষুদ্র জাতিসত্তার অধিবাসীদের অভিযোগ, গুলির শব্দ শুনে তাঁরা সালমানের জিপসি গাড়িটি ধাওয়া করেন। কিন্তু প্রবল গতিতে গাড়ি ছুটিয়ে সালমান খান আর তাঁর সঙ্গীরা পালিয়ে যান।  ওই সময় চালকের আসনে ছিলেন সালমান খান।

বলিউড সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে সালমানের ওপর এক হাজার কোটি রুপির বেশি লগ্নি রয়েছে। গতকাল বুধবার যোধপুর পৌঁছেছেন সালমান খান, টাবু ও সাইফ আলী খান।

বেআইনিভাবে জঙ্গলে ঢোকার অভিযোগে সালমান খান আর অন্য তিন তারকারে বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৪৯ নম্বর ধারাতে মামলা এখনো চলছে।

মন্তব্য করুন