বাহাদুরাবাদ-বালাসী নৌ-পথে ২০১৯ সালের মধ্যে চালু হবে ফেরী

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এমপি বলেছেন, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বালাসী-বাহাদুরাবাদ নৌরুটে ফেরী সার্ভিস চালু হবে। রুটটি চালু হলে উন্নয়নে গতি আসবে। গতকাল ১৮ মার্চ দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ফুটানি বাজারে   বালাসী -বাহাদুরাবাদ নৌ রুটের বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে ফেরীঘাট এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে  তিনি এসব কথা বলেন । তিনি বলেন,   বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর শাসনামলে নদী খননের জন্য ৭টি ড্রেজার ক্রয় করেছিলেন। পরবর্তীতে নদী খননের জন্য কোন সরকার উদ্যোগ গ্রহন না করায় নদীগুলো ভরাট হয়েছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু যেমন নদীকে ভালবাসতেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও তেমনি ভালবাসেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর আবারও নদী খননের কাজ হাতে নিয়েছেন। ইতিমধ্যে নদী খননের জন্য একশটি ড্রেজার ক্রয় করা হয়েছে যা দিয়ে ১৭৮টি নৌপথ খনন করা হবে। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার ফেরী সার্ভিস চালু ও টানেলের কথা স্বপ্নেও ভাবেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তা বলতে হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে বালাসী-বাহাদুরাবাদ টানেল নির্মাণের সম্ভাবতা যাচাইবাছাইয়ের কাজ চলছে। মন্ত্রী বলেন, বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে টানেলের কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। ফেরী সার্ভিসও বন্ধ হবে। তাই উন্নয়নের গতিকে অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি জাতীয় সংসদের ডিপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন,  আওয়ামী লীগ বিরোধী দলীয় নেত্রীকে কারাগারে রেখে নির্বাচন অনুষ্ঠানের পক্ষে নয়। আমরা চাই  খালেদা জিয়া কারাগার থেকে বেরিয়ে এসে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। আওয়ামী লীগ সকল দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনে বিশ্বাসী।

প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী সংস্থা বিআইডব্লিউটিএ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে যমুনা নদীর বাহাদুরাবাদ-বালাশী নৌপথের দুই প্রান্তে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরাবাদ ঘাট এলাকা ও গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার বালাশী নৌফেরি ঘাট ও আনুষঙ্গিক স্থাপনা নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১২৪ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। কাজের সময়সীমা ধরা হয়েছে ২০১৭ সালের ১ জুলাই হতে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বের পর্যন্ত।

বাহাদুরাবাদ ফেরিঘাটসহ আনুষঙ্গিক স্থাপনাদি নির্মাণ প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হক। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামালপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর, দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ,  ইসলামপুর আসনের সংসদ সদস্য মো. ফরিদুল হক খান দুলাল,  , দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবুল কালাম আজাদ, দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার মেয়র শাহনেওয়াজ শাহানশাহ সহ অনেকে ।

 

মন্তব্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

20 − 1 =