বকশীগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি বাবুল চিশতীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে

বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি ॥ জামালপুরের বকশীগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধাদের দাবি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মাহবুবুল হক বাবুল চিশতীকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে মনগড়া ভিত্তিহীন মিথ্যাচার করা হচ্ছে। বিএনপি জামায়াত ঘেষা কতিপয় কিছু মুক্তিযোদ্ধা তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছেন। বকশীগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধারা বাবুল চিশতীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এক প্রতিবাদে বকশীগঞ্জ উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আলহাজ্ব মফিজ উদ্দিন,ডেপুটি কমান্ডার আবদুল বাছেদ,জেলা ইউনিট কমান্ডের সাবেক ডিপুটি কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা আমিনুল হক,মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন খান ও মুক্তিযোদ্ধা অধ্যপাক আফসার আলী বলেন,গত ১৬ এপ্রিল ২০১৮ ইং দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে আমাদের দৃষ্টিগোচর হয় যে,বিগত বিএনপি জামায়েত জোট সরকারের আমলের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ-মন্ত্রী সিরাজুল হকের নেতৃত্বে বিএনপি-জামায়াত ঘেষা কতিপয় মুক্তিযোদ্ধা,বকশীগঞ্জের আলোকিত মানুষ বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজ সেবক আলহাজ্ব মাহবুবুল হক বাবুল চিশতীকে যুদ্ধাপরাধী এবং ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আখ্যা দিয়ে তার ফাঁসি দাবি করেছেন। আমরা বকশীগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধাগণ বাবুল চিশতীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। আলহাজ্ব মাহবুবুল হক বাবুল চিশতী একজন প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রকৃত বন্ধু। ১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধা চলাকালীন সময়ে তিনি ভারতের মেঘালয় প্রদেশের তুরায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে ভারতের মহেন্দ্রগঞ্জে এফ,এফ ক্যাম্পে অবস্থান করে আমাদের সঙ্গে ঐতিহাসিক ধানুয়া কামালপুরের বিভিন্ন রণাঙ্গনে পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে বারংবার অংশ গ্রহণ করেন। ২৩ মে, ২০০৫ ইং প্রকাশিত বাংলাদেশ গেজেটে তার নাম ২০৯০ ক্রমিকে ও ভারতীয় তালিকায় ১৬৬২৩ নং ক্রমিকে লিপিবদ্ধ আছে। তার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্বাক্ষরিত সাময়িক সনদপত্র নং-ম ১৩২৭৪৫,তারিখ-৩১.০৮.২০০৯ইং। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক,ময়মনসিংহ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্টের চেয়ারম্যান। এছাড়া তিনি বকশীগঞ্জ-দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দক্ষতার সাথে পালন করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা মাহবুবুল হক বাবুল চিশতীর সহায়তায় সারাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৪ হাজার মুক্তিযোদ্ধার সন্তান চাকুরি করছেন। তাই তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা,বানোয়াট এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

মন্তব্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 × 3 =