ইসলামপুরে স্কুলঘর মেরামতের অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

খাদেমুল হক বাবুল , নয়া দিগন্ত: মুল লেখার লিংক : জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় ১৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেরামতের নামে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরকারের প্রায় অর্ধকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, উপজেলার সদ্য জাতীয়করণের তালিকাভুক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে অস্থায়ী ঘর নির্মাণ/মেরাতের জন্য উপজেলার ফুলকার চর প্রাথমিক বিদ্যালয় দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা, নান্দেকুড়া দুই লাখ টাকা, মালমারা নয়া পাড়া দুই লাখ টাকা, কদতলী ক্বারী পাড়া দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা, সভার চর পুর্ব পাড়া দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা, আলাই পুর্ব পাড়া দুই পর্যায়ে তিন লাখ ৫০ হাজার টাকা, গোয়ালের চর পুর্ব পাড়া তিন লাখ টাকা, কাছিমার চর ফকির পাড়া তিল লাখ টাকা, উত্তর মহলগিরী তিন লাখ টাকা, গোয়ালের চর পশ্চিম মন্ডল পাড়া তিন লাখ টাকা, হাসানপুর তিন লাখ টাকা, বাঘরদী তিন লাখ টাকা, সিন্দুরতলী তিন লাখ টাকা, দক্ষিণ চিনাডুলী এক লাখ টাকা, আকন্দ পাড়া এক লাখ টাকা, পচাবহলা আলাই পুর্ব পাড়া দ্বিতীয় পর্যায় এক লাখ টাকা, মালমারা শহীদ খবির উদ্দিন এক লাখ, দক্ষিণ বরুল এক লাখ এবং বাহাদুরপুর সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ে দুই লাখ টাকাসহ ১৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়ে ছিল।
এলাকাবাসী জানায় এসব টাকায় বিদ্যালয় গুলোর কোন কাজ না এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী বিশ্বনাথ দাস, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামারুজ্জামান ও সহকারী শিক্ষা কর্মমর্তা মনিরুজ্জামান আরজুর যোগসাজশে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিরা সমুদয় টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। তাদের অভিযোগ, কাজ না করে ৩০ জুন রাতে তড়িঘড়ি করে এসব টাকা উত্তোলণ করে আত্মসাত করা হয়েছে। সরেজমিনে পচাবহলা আলাই পুর্ব পাড়া , সভার চর পুর্ব পাড়া, হাসানপুর, বাঘরদী নান্দেকুড়া ও গোয়ালের চর পশ্চিম মন্ডল পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ১০টি বিদ্যালয় ঘুরে কাজ না হওয়ার চিত্রই লক্ষ করা দেখা গেছে। উপজেলা প্রাথমিক উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামারুজ্জামান বলেন- আমরা টেকনিক্যাল হ্যান্ড নয়। এলজিইডির প্রকৌশলী ও উপ-সহকারী প্রকৌশলীর প্রত্যয়নের ভিত্তিতে বিল দেওয়া হয়েছে। মোহাম্মদপুর ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষা কর্মমর্তা মনিরুজ্জামান আরজুও একই কথা বলেছেন। এব্যাপরে এলজিইডির দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী বিশ্বনাথ দাস বলেন, বিদ্যালয় গুলো পরির্দশনের পর বিল দেওয়া হয়েছে। তবে কোন বিদ্যালয় কোন ইউনিয়নে অবস্থিত সেটি তিনি বলতে পারেন নি । তিনি আরো বলেন-যে গুলো দেখা সম্ভব হয়নি সে গুলোর টাকা উত্তোলন করে রাখা হয়েছে। উপজেলা প্রকৌশলী আহসান আলী বলেন- কাজ না দেখে বিল দেওয়ার কথা নয়। বিষয়টি আমি দেখব।

মন্তব্য করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

18 − seventeen =